বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (NEIR) বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে একটি অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে, এনইআইআর-এর মাধ্যমে বিটিআরসি “চাঁদাবাজি” করছে।
অভিযোগের প্রকৃতি: মহিউদ্দিনের এই বক্তব্য একটি সরকারি নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অন্যতম গুরুতর অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নেই এবং এটি গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বিতর্ক ও প্রতিক্রিয়া:
এই অভিযোগ এমন এক সময়ে এলো, যখন সরকার আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর কার্যকর করে দেশের অবৈধ বা ‘গ্রে’ মোবাইল ফোন বাজার বন্ধ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সরকারের লক্ষ্য: সরকার ও বৈধ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে যে, এনইআইআর ব্যবস্থাটি মূলত চোরাচালান, শুল্ক ফাঁকি এবং ভুয়া আইএমইআই (IMEI) ব্যবহার করে ফোন বিক্রির মাধ্যমে সরকারের বার্ষিক ২,০০০ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব ক্ষতি রোধ করার জন্য একটি “ঐতিহাসিক পদক্ষেপ”।
গ্রাহক স্বার্থ: গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এই ধরনের কঠোর অভিযোগ আসায় এই খাত নিয়ে বিতর্ক আরও বেড়েছে। কারণ, বৈধ ব্যবসায়ীরা দাবি করেন যে, এনইআইআর ব্যবস্থা গ্রাহকদের পুরোনো বা ‘সার্ভিস করা’ ফোন কেনা থেকে সুরক্ষা দেবে।
The post “এনইআইআর নিয়ে চাঁদাবাজি করছে বিটিআরসি”: গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি appeared first on Techzoom.TV.

0 Comments